1. news@www.dailyjamalpursangbad24.com : উৎসবের আলো : উৎসবের আলো
  2. info@www.dailyjamalpursangbad24.com : দৈনিক উৎসবের আলো : দৈনিক উৎসবের আলো দৈনিক উৎসবের আলো
  3. info@www.dailyjamalpursangbad24.com : দৈনিক জামালপুর সংবাদ ২৪ :
শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০৮:৫৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ডোমারে পাঁচ বছরের শিশুকে যৌন হয়রানীর অভিযোগ মাংস ব্যবসায়ীর ডাবলুর বিরুদ্ধে নরসিংদীর মনোহরদীতে সীমানা বিরোধের জেরে ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন। অসহায় কৃষকদের পাশে দাঁড়ালেন ফুলপুর উপজেলা প্রশাসন মিথ্যা মামলার হয়রানিতে স্থানীয়রা অতিষ্ঠ রাজিয়ার অত্যাচারের বিচার চায় নিরীহ এলাকাবাসী যুগশ্রেষ্ঠ বুজুর্গ আল্লামা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী (রহ.) এর চিরবিদায় মধুপুরে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বিউটি পার্লারের নামে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন সরিষাবাড়ীতে বৃদ্ধ পিতার হাত-পা ভেঙ্গে দিল সাবেক ছাত্রদল নেতা, প্রতিবাদে ছোট ভাই কুপালো বড় ভাইকে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে অশ্রাব্য গালিগালাজের পর হুমকি বওলা ইউনিয়ন সুতারপাড়া গভীর নলকূপে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ায় উত্তাপ্ত সুতারপাড়া গ্রামের কৃষকেরা পবিত্র ঈদুল ফিতরে দীর্ঘ ছুটির সময়েও মাঠ পর্যায়ে পরিবার পরিকল্পনা, মা-শিশু স্বাস্থ্য ও কৈশোর কালীন প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা চলমান রয়েছে

মিথ্যা মামলার হয়রানিতে স্থানীয়রা অতিষ্ঠ রাজিয়ার অত্যাচারের বিচার চায় নিরীহ এলাকাবাসী

দৈনিক জামালপুর সংবাদ ২৪
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৫
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

কামরুল হাসান:

নিজে দোষ করে উল্টো নির্দোষ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে নাজেহাল করে চলছে রাজিয়া বেগম। তার অত্যাচারের মাত্রা দিন দিন বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয়রা অতিষ্ঠ। নিরীহ এলাকাবাসী তার অত্যাচারের বিচার চায়।
স্থানীয় ও মামলা সূত্রে জানা যায়, জামালপুর সদর উপজেলার তিতপল্লা ইউনিয়নের তিতপল্লা পশ্চিম পাড়াস্থ কমান্ডার বাড়ির বাসিন্দা আবুল কালাম। মূলত: এটা তার নানার বাড়ি। স্ত্রী নাসরিন আক্তার রাজিয়াকে নিয়ে এ বাড়িতেই থাকতেন। কয়েক বছর আগে আবুল কালাম মারা যান। তারপর পর থেকে রাজিয়া বেগমের কথা-বার্তা, আচার-আচরন ও চাল-চলন সুবিধার চেয়ে অসুবিধারই বেশি। তাই তাকে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে জমি ছেড়ে দেন মামা শ^শুর বাদশা মিয়া। রাজিয়া বেগম সেখানে বাড়ি বানিয়ে নিজের খেয়াল খুশি মত বসবাস করতে থাকে। কিন্তু কিছু দিন যেতে না যেতেই প্রতিবেশিদের সাথে তার সম্পর্ক খারাপ হতে থাকে। কারন, তার হাঁস-মুরগি ও ছাগলের অত্যাচারের পাশাপাশি নিজের কাজ কারবারে এলাকাবাসী খুবই অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে। অবস্থাটা এমন যে, তার হাঁস-মুরগি ও ছাগলেঅন্যের ক্ষেতের ফসল নষ্ট করলে তাকে কিছুই বলা মুসকিল। যদিও কেউবা বলে ফেলে তবে তার আর রক্ষে নেই। হয় তো গালমন্দ শুনতে হবে নয় তো তাকে মিথ্যা মামলার ঘানি টানতে হবে। এমনই এক মিথ্যা ঘটনায় হয়রানিমূলক মামলার শিকার প্রতিবেশি খোরশেদ আলম গং। রাজিয়া বেগমের প্রতিবেশী মোতালেব ক্বারীর ছেলে খোরশেদ আলম ও শামছুল হকের ছেলে রমজান আলী তার বাড়ির পাশে ক্ষেতে আবাদ মওসুম করে। কিন্তু রাজিয়ার হাঁস-মুরগি ও ছাগলে ক্ষেতের ফসল নষ্ট করে। এ বিষয়ে ক্ষেতের মালিকরা বলাতে তাদেরকে উল্টো গালমন্দ করে। এক পর্যায়ে রাজিয়া বেগম ০৪-০৯-২০২৪ তারিখ দুপুরের এক মিথ্যা ঘটনা উল্লেখ করে খোরশেদ আলম গং-এর বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আমলী আদালতে সি আর মামলা দায়ের করে। মামলা নং সি আর ১৩১৫(১)২০২৪। মামলার অভিযোগ- বাদীর ছাগলে ধান ক্ষেত না খাওয়া সত্বেও তার ছাগলে ধান ক্ষেত খেয়েছে মর্মে বাদী অর্থাৎ রাজিয়াকে অকথ্য গালাগালি দেয়। বাদী এর প্রতিবাদ করলে সকল বিবাদী তার বাড়িতে গিয়ে গালমন্দসহ মারধর ও ছিনতাই করে। ওই মামলার অপর বিবাদীরা হলেন- খোরশেদ আলমের ছোট ভাই আশিকুল ইসলাম রিয়াদ ও বাবা মোতালেব ক্বারী এবং প্রতিবেশী শামছুল হকের ছেলে রমজান আলী। অবশ্য ছোট ভাই আশিকুল ইসলাম রিয়াদের নাম এ মামলা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। অথচ মামলায় উল্লেখ ২নং বিবাদী (আশিকুল ইসলাম রিয়াদ) ঘুষি মারিয়া বাম চোখের নিচে রক্ত জমাট ফুলা জখম করে। বিচার্য বিষয় এই যে, তাহলে তাকে অভিযোগ তথা মামলা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে কেন? তাহলে কি ২নং বিবাদী অর্থাৎ (আশিকুল ইসলাম রিয়াদ) ঘুষি মারিয়া বাম চোখের নিচে রক্ত জমাট ফুলা জখম করে নাই? নাকি তাকেও হয়রানি করার জন্যই বিবাদী করা হয়েছে? আর যদি ভুলে তার নাম দেয়া হয়েছে বা বিবাদী করা হয়েছে। তাহলে অপরাপর বিবাদীদের বেলায় ব্যাখ্যা/অভিমত/মন্তব্য কি হবে ? এছাড়া ঘটনার সময় বিবাদীরা লাঠিসোটা নিয়ে তাকে মারধর করে। গলা থেকে ১০ আনা ওজনের সোনার চেইন ছিনিয়ে নেয় ইত্যাদি। সাক্ষীগন এগিয়ে আসলে তারা হুমকি দিয়ে চলে যায়। এখানেও বিচার্য বিষয় এই যে, দিন দুপুরে বিবাদীরা তাকে মারধর করল কিন্তু এতো বড় এলাকার অনেক লোকজন থাকতে কেউ আসলো না। বাদীর ইচ্ছায় সাক্ষী মরিয়ম বেগম, আজাহার আলী, লাভলী বেগম, আশরাফ আলী ও ইব্রাহীম হোসেন হঠাৎ এগিয়ে আসলেন। শুধু মাত্র ৩নং সাক্ষী লাভলী বেগম পাশের বাড়ির। অথচ অপরাপর সাক্ষীরা অনেক দূরে থাকেন। তাহলে কি সাক্ষীরা আগে থেকেই ঘটনা বিষয়ে জানতেন? তাই বাদীর চিল্লাচিল্লি শুনেই সেখানে উপস্থিত হন।নতুবা তারা জানেনা বা উপস্থিত ছিলেন না বা তাদেরকে না জানিয়ে সাক্ষী মেনেছে? তবে এলাকাবাসীর কেউ কেউ চাঞ্চল্যকর (গোপন রাখার শর্তে) তথ্য দিয়েছেন। ফরিদ হোসেন নামে এক ব্যক্তির মাধ্যমে রাজিয়া বেগম অনেক দিন থেকেই আজাহার আলী ও আশরাফ আলীর সাথে গোপন এক গভীর সম্পর্ক রেখে চলছে। আর এজন্য তারা রাজিয়ার কথায় সব করতে রাজি।
স্থানীয় আতিকুল ইসলাম জানান, রাজিয়া বেগমের বাড়ির পাশে তিনি জমি আবাদ করেন। কিন্তু তার হাঁস-মুরগি ও ছাগলের অত্যাচারে কোন ফসলই ঘরে তুলতে পারে না। বলতে গেলে উল্টো গালাগালি দেয়। এছাড়া ওই মহিলা ক্ষেত থেকে মাটি তুলে নিয়ে বাড়ি উঁচু করায় ক্ষেতের ক্ষতি সাধন করে যাচ্ছে। মিয়ার উদ্দিন মিলিটারী জানান, ওই মহিলার বাড়ির পাশে তার জমিতে উপর্যুপরি অত্যাচারের কারনে আবাদ করাই ছেড়ে দিয়েছেন। বুঝা গেল যে, ওই মহিলা খোরশেদ আলম গং-এর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছে। সে এতটাই খারাপ যে, তার সাথে কথা বললেই বিপদ। উজ্জল মিয়া জানান, ওই মহিলা মানুষের ক্ষতি করে অথচ মানুষদেরই দায়ী করে হয়রানীমূলক মিথ্যা মামলা দিয়ে বেকায়দায় ফেলে। হারুনুর রশিদ জানান, সামান্য কারনে ওই মহিলা তার অটো গাড়িতে লঠি দিয়ে পিটিয়ে অনেক ক্ষতি করেছে। ছামাদ হাজি জানান, ওই মহিলা কিছু দিন আগে খোরশেদ আলম গং-এর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানিতে ফেলেছে। এর আগে ইয়াকুব আলী বাধনকেও মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল খাটিয়েছে। আবার মোটা অঙ্কের টাকা জরিমানা ও জমি নিয়ে আপোস হয়েছে। এই দুঃখে বাধন জমিজমা বেচে দিয়ে এলাকা ছেড়ে অন্যত্র বাড়ি করে থাকছে। তার অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ। জালাল উদ্দিন জানান, তিনিও ইয়াকুব আলী বাধনের সাথে একই মথ্যা মামলার ২নং আসামী ছিলেন। পুলিশের ভয়ে তাকে অনেক দিন পালিয়ে থাকতে হয়েছে। পরে তদন্তে নির্দোষ হওয়ায় তাকে মামলা থেকে বাদ দেয়া হয়। আর বাধনকে ওই মিথ্যা মামলায় জেল খাটিয়েছে। আবার মোটা অঙ্কের টাকা জরিমানা ও জমি নিয়ে আপোস হয়েছে। এই দুঃখে বাধন জমিজমা বেচে এলাকা ছেড়ে চলে গেছে। রাজিয়ার অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ। বাধনের মা বিউটি বেগম জানান, রাজিয়া সম্পর্কে ভাগ্নে বউ হয়। আমার ছেলে তার মামাতো দেবর হয়। অথচ সে তার ছেলে বাধনকেও মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল খাটিয়েছে। জেল থেকে ছাড়াতে আপোসের জন্য রাজিয়াকে মোটা অঙ্কের টাকা জরিমানা ও জমি দিতে হয়েছে। এই দুঃখে বাধন সব জমিজমা বেচে পৈত্রিক ভিটা ছেড়ে অন্যত্র বাড়ি করে থাকে। তার অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ। তাই তারা রাজিয়ার বিচার চায়। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড মেম্বার জহুরুল ইসলাম জানান, ওই মহিলাকে খোরশেদ আলম গং-এর বিরুদ্ধে মামলার বিষয়ে আপোস মীমাংসার প্রস্তাব দেয়া হয়। সে তার লোকজন ছাড়া একা আপোস হবে না বলে জানায়। আসলে সে ভালো লোক না। সে একজন ঝগড়াটে, ফ্যাসাদে ও মামলাবাজ মানুষ। তার উচিত বিচার হওয়া দরকার।*****

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© দৈনিক জামালপুর সংবাদ ২৪
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট