কামরুল হাসান:
জামালপুর সদর উপজেলার দিগপাইত ইউনিয়নে দেড় লাখ টাকার ভিজিএফ’র চাল ইঁদুর বাঁদরে খেয়েছে। ১৮ মার্চ মঙ্গলবার থেকে ভিজিএফ’র চাল বিতরন শুরু হয়ে চলে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। ইউনিয়নের মোট ৫,৫৩৫ জন উপকার ভোগীর প্রত্যেকে ১০ কেজি করে এ কর্মসূচির চাল পাওয়ার কথা। তবে বস্তার ওজন, স্বাভাবিক ঘাটতি, পরিবহন ও লেবার খরচ এসব মিলিয়ে ১ কেজি কমে ৯ কেজি করে বিতরনের সিদ্ধান্ত নেয় সংশ্লিষ্ট কমিটি। প্রথম দিন মঙ্গলবার ১-৩ নং ওয়ার্ডের ১,৭০০ জন, দ্বিতীয় দিন বুধবার ৪-৬ নং ওয়ার্ডের ২,৩০০ জন এবং তৃতীয় দিন বৃহস্পতিবার ৭-৯ নং ওয়ার্ডের ১,৫৩৫ জন উপকারভোগীর মাঝে চাল বিতরন করা হয়। কিন্তু সরেজমিনে বেশ কয়েক জন উপকারভোগির চাল পরিমাপ করেদেখা যায়, ওজনে কারো প্রায় ৮ কেজি থেকে ৮ কেজি, কারো কারো সাড়ে ৮ কেজি থেকে ৯ কেজি আবার কারোর সাড়ে ৯ কেজি আবার কয়েক জনের ১০ কেজি করে হয়েছে। তাতে মনে হয়- ৫০ ভাগ অর্থাৎ ২,৭৬৭ জন ৮ কেজি করে, ৩০ ভাগ অর্থাৎ ১,৬৬০ জন সাড়ে ৮ থেকে ৯ কেজি করে, ১৫ ভাগ অর্থাৎ ৮৩০ জন সাড়ে ৯ কেজি ও ৫ ভাগ অর্থাৎ ২৭৭ জন ১০ কেজি করে চাল পায়। এ হিসেব থেকে ৩,৫৯৭ কেজি চাল কম আর ৬৯২ কেজি চাল বেশি দেয়া হয়েছে। প্রতি কেজি চালের মূল্য ৩০ টাকা ধরলে সব মিলিয়ে ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকার ভিজিএফ’র চাল ইঁদুর বাঁদরে খেয়েছে। সিস্টেম লসের ১ কেজি ইঁদুরে আর কৌশলে ১ কেজির উপরে যে পরিমান চাল কম দেয়া হয়েছে তা বাঁদরে খেয়েছে।
এ সময় প্যানেল চেয়ারম্যান রাহাত হোসেন, ইউপি প্রশাসক ও সচিব আসাদুজ্জামান, তদারকি কর্মকর্তা জামালপুর সদর উপজেলা দারিদ্র্য বিমোচন কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান, সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার মরিয়ম তালুকদার, ওয়ার্ড মেম্বারদের মধ্যে আনোয়ার হোসেন বাদশা ও নজমুল হকসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড বিএনপিসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।